আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
রোবাবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, খামেনি তার নির্ধারিত দায়িত্বপালন করছিলেন এবং তার কর্মক্ষেত্রে (দপ্তরে) উপস্থিত ছিলেন।
গণমাধ্যমটি বলেছে, “শনিবার সকালের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় এই কাপুরুষোচিত হামলাটি ঘটেছে।”
এক বিবৃতিতে ইরানের রেভুল্যুশনারি গার্ড বলেছে, “আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি আর আমরা তার জন্য শোক করছি। তিনি এমন একজন নেতা যিনি আত্মার পবিত্রতা, ঈমানের দৃঢ়তা, সৃজনশী মানসিকতা, অহংকারীদের মুখোমুখি হওয়ার সাহস ও আল্লাহর পথে জিহাদের ক্ষেত্রে অনন্য ছিলেন।”
এর আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশালে এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।
তার এ খবর দেওয়ার মধ্যেই ইরানের কারাজের সড়কে এবং আরও কয়েকটি স্থানে কিছু ব্যক্তিকে খামেনির কথিত মৃত্যুতে উল্লাস করার খবর দেয় বিবিসি।
বিবিসি ফারসির যাচাই করা এবং এক্সে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কারাজের কিছু ইরানি নাগরিক খামেনির কথিত মৃত্যুতে উল্লাস করছেন।
ট্রুথে খামেনির নিহত হওয়া নিশ্চিত করার দাবির আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে প্রথমে এ খবর দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের আগের প্রতিবেদনগুলোর পর ট্রুথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার বার্তার পুনরাবৃত্তি করে লিখেছেন, “ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার এটাই সেরা সুযোগ।”